আমি সাধারণত আমার কোনো একাডেমিক বা কর্মক্ষেত্রের অর্জন বা ফলাফল ফেসবুকে বা অন্য কোন সামাজিক সাধ্যমে খুব একটা শেয়ার করি না। কিন্তু আজকের এই প্রাপ্তিটা এক তীব্র আবেগ আর মিশ্র অনুভূতির গল্প। সম্প্রতি একটি আন্তর্জাতিক জার্নালে আমার একটি রিসার্চ আর্টিকেল প্রকাশিত হয়েছে।
এই আর্টিকেলটির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত যার অবদান সবচেয়ে বেশি, তিনি হলেন আমার গাইড, মেন্টর এবং অত্যন্ত শ্রদ্ধাভাজন শিক্ষক—প্রফেসর Ashrarur Rahman Mitul স্যার। থিসিস সুপারভাইজার হিসেবে স্যারের প্রথম ছাত্র হওয়ার সৌভাগ্য আমার হয়েছিল। স্যার আমাকে অসম্ভব স্নেহ করতেন। সবসময় এই আর্টিকেলটি প্রকাশের জন্য তাগিদ দিতেন, অনুপ্রেরণা জোগাতেন। স্যারের সাথে দিনের পর দিন আলোচনা করে, তাঁর দেওয়া গাইডলাইন আর অগণিত কারেকশনের পরই এই কাজটি আজ আলোর মুখ দেখেছে।
কিন্তু খুব কষ্ট হচ্ছে এই ভেবে যে, মাত্র একমাস আগে স্যার হঠাৎই আমাদের ছেড়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন। আজ এই প্রকাশিত আর্টিকেলটি স্যার দেখে যেতে পারলেন না। অথচ আমি জানি, এটি দেখলে হয়তো পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি খুশিটা তিনিই হতেন। স্যারের প্রতিটা কথা ও আজকে আমার এই অবস্থানের পিছে স্যারের যে অবদান তা খুব বেশি মনে পড়ছে।
তবে আমার জন্য সবচেয়ে গর্বের বিষয় হলো আর্টিকেলে স্যারের নামের ঠিক পাশেই আমার নামটি জড়িয়ে আছে—একজন ছাত্র হিসেবে এর চেয়ে বড় পাওয়া, বড় আশীর্বাদ আর কী হতে পারে! এজন্য নিজেকে সত্যিই ধন্য মনে করছি।
ওপারে ভালো থাকবেন, স্যার। আপনার দেখানো পথেই যেন সামনে এগিয়ে যেতে পারি, সেই দোয়া করবেন।
Article Link: https://journal-soc.com/Publication/DisplayArticle/30645

Comments
Post a Comment